পার্ভার্ট [২]

Written by Baban

সেদিন রাতেই আমি এমন একটা জিনিস দেখেছিলাম যেটা আমার কাছে ওই বয়সে আজব লেগেছিলো আজ বুঝি সেটা কত বিকৃত ব্যাপার ছিল. সেদিন মাঠ থেকে ফিরে আমি খুব খুশি ছিলাম. সন্ধেবেলা সবাই বসে গল্প করছিলাম. মা সবার জন্য চা করে এনেছিল. আমার তখনো চা খাবার মতো বয়স হয়নি তাই দুধ খাচ্ছিলাম আর টিভি দেখছিলাম. মা আমার পাশে বসে ছিল. বাবা একটা ফোন করতে ঘরে গেছিলো. টিভিতে সিরিয়াল হচ্ছিলো. মা ওই সিরিয়ালটা দেখে. আমি ওসব দেখিনা. তাই এদিক ওদিক তাকাচ্ছিলাম. হঠাৎ আমার চোখ চলে গেলো দাদুর ওপর. দাদু আমার পাশেই বসে ছিল. দাদু বসা অবস্থাতেও অনেক লম্বা. আমি দেখলাম দাদু একদৃষ্টিতে আমার মায়ের দিকে তাকিয়ে আছে আর চা খাচ্ছে. মাকে দেখলাম এক মনে সিরিয়াল দেখছে. কিন্তু মা যে ম্যাক্সিটা পড়েছে সেটা আগেরটা নয়. এটা অন্য. মাকে এটা আগেও পড়তে দেখেছি বাড়িতে. তবে এটার গলাটা অনেক নীচে. মানে নিতেই এই ম্যাক্সি দিয়ে মায়ের বুকের খাঁজটা বোঝা যায়. মা চা খাচ্ছে আর সিরিয়াল দেখছে কিন্তু দাদু ওসব সিরিয়াল ছেড়ে মাকে দেখছে. হঠাৎ দাদু আমাকে আদর করে কোলের ওপর নিয়ে নিলো আর মায়ের দিকে আরও কিছুটা এগিয়ে গেলো. প্রায় মায়ের একদম পাশে. মা দাদুর আর আমার দিকে তাকিয়ে একটু হেসে আবার সিরিয়াল দেখতে লাগলো. আমি কিছু না বুঝে পা দোলাচ্ছি আর দাদুর সাথে কথা বলছি. কথা বলছিলাম টিভির দিকে তাকিয়ে কিন্তু কিছুক্ষন পরে আমি মাথা তুলে দাদুর দিকে তাকালাম আর দেখলাম দাদু মায়ের দিকে তাকিয়ে তবে মায়ের মুখের দিকে নয় মায়ের ওই বুকের খাঁজের দিকে আর বড়ো বড়ো চোখ করে. আগেই বলেছি বসা অবস্থাতেও দাদু মায়ের থেকেও লম্বা. দাদুর বুকের কাছে মায়ের মাথা শেষ. তাই মা বুঝতে পারছেনা দাদু তার দিকে তাকিয়ে. আমি ওসব কিছু না বুঝে আগের মতোই দাদুর সাথে গল্প করতে লাগলাম. একটু পরেই বাবার পায়ের শব্দ পেলাম তখনি দেখলাম দাদু একটু নড়ে চোড়ে সোজা হয়ে বসলো. আর বাবাও টিভি দেখতে লাগলো আমাদের সাথে. রাতের রান্নাটা মা ই করলো. মা খুব ভালো রান্না করে. দাদু আমি বাবা সবাই খুব তৃপ্তি করে খেলাম. বাবা খবর পরেই সোফায় গা এলিয়ে দিলো কিন্তু দাদুকে দেখলাম হাঁটা শুরু করলো. দাদু আমাকে বললো : একদম খাবার পর তোমার বাবার মতো বিছানায় বা সোফায় বসবেনা. কিছুক্ষন হাটবে…. তবে হজম ভালো হবে. তোমার বাবাকে দেখো কোনো নিয়ম মানেনা তাই কেমন ভুঁড়ি হয়ে যাচ্ছে. এই কথা শুনে আমি হাসলাম আর মায়ের দিকে তাকালাম কিন্তু মাকে দেখলাম দাদুর কথা শুনে বাবার দিকে তাকালো. বাবা পেটে হাত বোলাচ্ছে আর ঢেকুর তুলছে. মা বাবার ওপর একটু রেগে গেলো. মনে হলো দাদুর কথাতে মা একমত.
দাদু বললেন : বৌমা তুমিও আমাদের সাথে হাটবে?
মা হেসে বললো : আপনার ছেলেকে বলুন বাবা. দেখুন কেমন অলস হয়ে গেছে. ব্যায়াম তো দূরে থাক সামান্য কিছুও করেনা যাতে শরীর ঠিক থাকে.
বাবা : ধুর…. ওসব ব্যায়াম আমার কম্মো নয়.
দাদু : হুম….. তা হবে কেন? বৌমা ঠিকই বলেছে. তুই আজ থেকে নয় সেই ছোট থেকেই অলস. হাজার চেষ্টা করেও তোকে দিয়ে শরীর চর্চা করাতে পারলাম না. এইজন্যই তো তোকে এত পেটাতাম. আর তোর মা খালি এসে তোকে বাঁচাতো.
বাবা : উফফফ… ভাগ্গিস মা বাঁচাতো. নইলে তোমার ওই হাতের মার চার পাঁচটার বেশি খেলেই আমি অজ্ঞান টগগান হয়ে যেতাম হয়তো.
মা : সত্যি বাবা. ওর মুখে শুনেছি আপনি শরীরের ব্যাপারে খুব কঠোর ছিলেন. নিয়মিত শরীর চর্চা করতেন. তাই আজও বয়সের ছাপ পড়েনি.
দাদু মায়ের দিকে তাকিয়ে : এখনও করি বৌমা. তবে রোজ করা হয়না আর. হপ্তায় চার দিন করি. বাবলু….. মানে তোমার স্বামীর অরূপ সেতো এই ব্যাপারে আমার বিপরীত পুরো. কোনোদিন শরীর চর্চা করাতে পারলাম না ওকে দিয়ে. হাইট টাও বড়লোনা.
মা : শুনছো তুমি? বাবা এখনও নিয়মিত ব্যায়াম করে আর তুমি তারপর ছেলে হয়ে নিজের কি হাল করছো দেখো. একটু বেশি খাটাখাটনি করলেই হাপিয়ে ওঠে.
দাদু : ছাড়ো তো ওর কথা. গাধা একটা. আর এখন করেই বা কি আর কোনো লাভ হবে? বরং আমরা নিজেদের খেয়াল রাখি কি বলো বৌমা?
দাদুকে দেখলাম এক নজরে মায়ের শরীরটা দেখে নিলো. মা নিজের শরীরের প্রতি খেয়াল রাখে তাই এখনও কোথাও কোনো মেদ জমেনি. মা সাজতে খুব ভালোবাসে তবে মা না সাজলেও এমনিতেই মাকে অপূর্ব দেখতে. কিছুক্ষন আমি দাদু আর মা বারান্দায় হাটাহাটি করলাম তারপরে ঘরে চলে গেলাম.
মা আমাকে ঘুম পাড়াতে পাড়াতে বাবার সাথে গল্প করতে লাগলো.
মা : দেখলে…. এখনও তোমার বাবা সব নিয়ম মেনে চলেন. আর তুমি কোনো নিয়ম মানোনা. হয় খাবার পর সোফায় গা এলিয়ে দাও নয়তো বিছানায় উল্টে শুয়ে পড়ো. এই জন্যই এত তাড়াতাড়ি কমজোরি এসে যাচ্ছে তোমার মধ্যে. ভুঁড়ি হয়ে যাচ্ছে. বাবা ঠিকই বলেছেন.
বাবা : ধুর….. ওসব আমার দ্বারা হবেনা. ওই ব্যায়াম ট্যাম আমার কম্মো নয়. আসলে যে যেরকম. বাবা শরীর চর্চা পছন্দ করেন আর আমি ওসবের কিছুই পছন্দ করিনা. ওই ব্যায়াম করলেও বাবার মতো হাইট আমার হতোনা বা ঐরকম শরীর আমার হতোনা. ছাড়ো..
মা : আজ বাবার ঘরে গেছিলাম. তোমার বাবার আর তোমার মায়ের দেয়ালে টাঙানো ছবি দেখলাম. সত্যি…… তোমার বাবা তোমার মায়ের থেকে বয়সে বড়ো কিন্তু ছবিতে মনে হচ্ছিলো তোমার মায়ের বয়স যেন তোমার বাবার থেকে বেশি.
বাবা : হ্যা. মায়ের শরীর ভেঙে পড়েছিল শেষে. ছাড়ো ওসব. এখন ঘুম পাচ্ছে খুব. ঘুমিয়ে পড়ো তুমিও.
বাবা পাশে ফিরে শুয়ে পরলো. মাও একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার পাশে শুয়ে পরলো. এমনিই আসে পাশে বাড়ী নেই তারপর আবার বাড়ির উল্টো দিকে খাল. একদম শান্ত পরিবেশ. ঘরের ভেতরে ঘড়ির টিক টিক শব্দ স্পষ্ট সোনা যাচ্ছে. একটু পরে আমিও ঘুমিয়ে পড়লাম. কতক্ষন সময় কেটে গেছে জানিনা. হঠাৎ একটা নড়াচড়া তে আমার ঘুমটা হঠাৎ ভেঙে গেলো. চোখ খুলে দেখলাম মা বিছানা থেকে নেমে দরজা খুলে বাইরে যাচ্ছে. আমি বুঝলাম মা বাথরুমে যাচ্ছে. কিন্তু মা বেরিয়ে যাবার সামান্য পরেই মনে হলো মায়ের পেছনে আরেকটা ছায়া দেখলাম. সেটা মায়ের দিকেই চলে গেলো. আমি উঠে বসলাম. ওটা কি দেখলাম আমি? ঠিক না চোখের ভুল? মা বাথরুমে ঢুকে গেলো কারণ দরজা বন্ধ করার শব্দ পেলাম. আমারো এদিকে একটু হিসু পেয়েছিলো তাই ভাবলাম মায়ের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়াই. সেই ভেবে বিছানা থেকে নামালাম. বাবাকে দেখলাম ঘুমিয়ে কাদা. নাক ডাকছে. আমি নেমে ঘর থেকে বেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে হল ঘর পেরিয়ে ওই বাথরুমের গলির সামনে গিয়ে দারুন ভয় পেলাম. বাথরুমের দরজাটা কয়েকটা জায়গা থেকে ভেঙে গেছে. খুব পুরোনো দরজা. আর সেই ভাঙা জায়গা দিয়ে আলো বেরিয়ে আসছে. আর সেই আলোয় দেখলাম মায়ের বাথরুমের দরজার বাইরে কেউ দাঁড়িয়ে আছে. আমার যেন তাকে চেনা চেনা মনে হলো. তাই একটু এগিয়ে যেতেই দেখলাম আমি ঠিক. ওটা আর কেউ নয় দাদু. কিন্তু দাদু যেন অদ্ভুত কিসব করছে. বাথরুমের দরজায় কান লাগিয়ে কিছু সোনার চেষ্টা করছে. তখনি বাথরুম থেকে ছর ছর করে জল পড়ার শব্দ পেলাম. মানে মা বাথরুম শুরু করেছে. কিন্তু দাদুকে দেখলাম ওই আওয়াজ শুনে মুখে একটা হাসি ফুটে উঠলো আর দরজাটায় হাত বোলাতে লাগলো. আর অন্য হাতে নিজের পেটের নীচে হাত ঢুকিয়ে কি করতে লাগলো. দাদুকে দেখলাম ওই ভাঙা ফুটো দিয়ে উঁকি দিতে. তারপরে দাঁতে দাঁত চিপে ওই দরজার দিকে তাকিয়ে কি যেন ভাবলো তারপর আবার হেসে উঠলো. ওদিকে ছর ছর আওয়াজের জোর যেন আরও বেড়ে গেছে. খুব জোরে জল বেরিয়ে কমোডে পড়ছে আর তারফলে এই শব্দ. ওই আওয়াজ শুনে দাদু দেখলাম দেয়ালে হেলান দিয়ে বুকে হাত বোলাতে বোলাতে হাসছে. এদিকে অন্য হাতটা ধুতির ভেতরে ঢোকানো. দাদু এমনিতেই এত লম্বা. ওই আধো আলো আধো অন্ধকারে যেন দাদুকে অন্যরকম লাগছে. একটু পরেই হিসুর আওয়াজ বন্ধ হলো দাদু অমনি সরে গেলো ওখান থেকে আর দরজার কাছ থেকে সরে গেলো আর এদিকে আসতে লাগলো. এদিকে এসেই আমার সাথে দেখা. আমাকে দেখে যেন একটু ঘাবড়ে গেলো দাদু.
আমি বললাম : দাদু তুমি বাথরুমে গেছিলে?
দাদু হেসে বললো : হ্যা সোনা. তুমি এখানে কি করছো?
আমি বললাম : আমিও হিসু করতে এসেছি.
দাদু হেসে আমার মাথায় হাত রেখে বললো : ঠিক আছে যাও. তোমার মায়ের হিসু হয়ে গেছে. নিশ্চই খুব হিসু পেয়েছিলো তোমার মায়ের. এদিকে যে আমার খুব তেষ্টা পেয়ে গেলো ওই আওয়াজ শুনে . যদি জল খেতে পারতাম.
আমি বললাম : দাদু ঘরে জল নেই?
দাদু হেসে বললো : এই জল কোনো সাধারণ কলের জল নয় দাদুভাই. এই জল হলো পেটের জল. যেমন তোমার মায়ের পেটে এতক্ষন ছিল. তুমি বুঝবেনা এখন. আমি যাই বাবা. মাকে বলোনা আমি উঠেছিলাম নইলে খালি খালি চিন্তা করবে আবার. কেমন?
আমি হ্যা সূচক মাথা নাড়লাম.
দাদু আমার গাল টিপে সোনা দাদুভাই আমার বলে চলে গেলো.
আমি মাথামুন্ডু কিছুই বুঝলাম না. আমি মায়ের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম. একটু পরে মা বেরিয়ে এসে আমাকে দেখে বুঝতে পারলো আর আমাকে নিয়ে বাথরুম গিয়ে হিসু করিয়ে দিলো.
সেদিন দাদুর কথার মানে আমি বুঝিনি. বুঝিনি ওই কথাটার মধ্যে কতটা বিকৃত নোংরামি লুকিয়ে আছে. আর বুঝিনি ওই কথাটা সত্যি করতে পরের দিন দাদুর সাথে দেখা করতে একজন আসছে.


পরের দিন বাবা আর আমি ঘরে গল্প করছি. মা সকালের খাবার করতে নীচে গেছে. দাদু কোথায় জানিনা. হয়তো নিজের ঘরে ছিল. একটু পরে মা লুচি তরকারি করে আনলো. আমাদের থালাটা ঘরে রেখে মা দাদুরটা দাদুর ঘরে নিয়ে গেলো. আমি মায়ের পেছন পেছন গেলাম. বাবা খেতে খেতে কাগজ পড়তে লাগলো. মাকে দেখলাম দাদুর ঘরে ঢুকতে. আমিও যেতে লাগলাম. পর্দার ফাঁক দিয়ে দেখলাম দাদু বিছানায় হেলান দিয়ে কাগজ পড়ছে. মাকে দেখেই হেসে উঠে বসলো. মাও হেসে বিছানার পাশে থাকা টেবিলে দাদুর লুচির প্লেটটা রাখলো. রাখার সময় সেই একি দৃশ্য দেখলাম. মা ঝুঁকে টেবিলে প্লেটটা রাখছে আর দাদু মাথা উঁচু করে মায়ের দিকে তাকাচ্ছে. মানে মায়ের বুকের কাছে. আমি তখনি দাদুর ঘরে ঢুকলাম. দাদু অমনি সোজা হয়ে বসলো আমাকে দেখে. আমি দাদুর পাশে গিয়ে বসলাম আর খেতে লাগলাম. মা চলে গেলো. আমি আর দাদু খেতে খেতে গল্প করতে লাগলাম.
আমি : দাদু কাল তুমি জল খেয়েছিলে?
দাদু : মানে?
আমি : ঐযে কাল বল্লেনা তোমার খুব জল তেষ্টা পেয়েছিলো. তোমার ঘরে জল ছিলোনা?
দাদু হেসে বললো : তা কেন থাকবেনা দাদুভাই. কিন্তু ওই জলে যে শুধু পেটের তেষ্টা মেটে. মনের তেষ্টা নয়. ওই তেষ্টা মেটাতে অন্য কিছু লাগে.
আমি : কি দাদু?
দাদু হেসে : থাক দাদুভাই. তুমি বড়ো হলে বুঝবে. তখন বুঝবে বড়ো হবার কত মজা. এখন খেয়ে নাও.
আমি আর দাদু খেতে লাগলাম. খাওয়া হয়ে গেলে আমরা গল্প করতে লাগলাম. একটু পরেই নীচে কলিং বেল বাজার ক্রিং শব্দ পেলাম. একটু পরে ভোলা এসে খবর দিলো তরুণ বাবু এসেছেন. দাদু খুশি হয়ে নিজেই নীচে নেমে গেলো আর একটু পরেই দাদুর সাথে তরুণ দাদুকে ওপরে আসতে দেখলাম. ওপরে এসে তরুণ দাদু আমাকে দেখে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন : কি খোকা? কেমন আছো. আমি হেসে বললাম : ভালো আছি দাদু. দাদু ওনাকে নিয়ে ঘরে এসে আমার বাবা মাকে ডাকলেন. দাদুর আওয়াজে ওনারা বেরিয়ে এলো. দাদু বাবা মায়ের সাথে তরুণ দাদুর দেখা করিয়ে দিলেন. যদিও বাবা তরুণ দাদুকে আগে থেকেই চিনতেন. বাবা তাকে প্রণাম করলো. তারপরে মা এসে তরুণ দাদুর সামনে ঝুঁকে প্রণাম করলেন. এরফলে যা হবার আবার তাই হলো. ম্যাক্সির ফাঁক দিয়ে ধরা পরলো মায়ের ওই খাঁজটা. যদিও আমি দাদুদের মুখ দেখতে পাচ্ছিলাম না কারণ আমি তাদের পেছনে ছিলাম. প্রণাম করে ওঠার পর তরুণ দাদু মায়ের মাথায় হাত রেখে বললো : বাবা…. সুবীর…. তোর বৌমা তো পরী একদম. কি সুন্দর দেখতে হয়েছে. ভালো থাকো মা ভালো থাকো.
মা লজ্জা পেয়ে হাসলো. মা নিজেই বললো : আপনাদের জন্য একটু চা করি? দাদু বললেন : হ্যা মা…. করো. আমরা আমার ঘরে গিয়ে বসছি. মা হেসে নীচে নেমে গেলো. বাবাও দাদুর সাথে কথা বলার পর ফোনে দরকারি কথা বলতে ব্যাস্ত হয়ে গেছে. আমি দেখলাম মা নীচে যাচ্ছে আর দুই দাদু মায়ের যাওয়া দেখছে আর তারপরে নিজেদের দিকে তাকালো আর মুচকি হাসলো. এরপরে দুই দাদু নিজেদের ঘরে ঢুকে গেলো. আমি কার্টুন দেখতে লাগলাম. কিন্তু ভেতরের কথাবার্তা শুনতে পাচ্ছিলাম.
তরুণ দাদু আমার দাদুকে বলছে : উফফফফ শালা….. কি মাল রে !! ছবিতে দেখেছিলাম তোর বৌমাকে. কিন্তু আজ সামনে থেকে দেখে বুঝলাম সুন্দরী কাকে বলে. তোর বৌ তো তোর ছেলের জন্য ভালো জিনিস জুটিয়েছিলো রে.
দাদু বললো : সেই তো….. ছেলের আমার ভাগ্য বটে অমন একটা বৌ পেয়েছে.
তরুণ : উফফফ ভাই কিছু মনে করিস না. যখন নিচু হয়ে পা ছুঁলো তখন স্পষ্ট ঐদুটোর খাঁজটা দেখতে পেলাম. উফফফফফ চোখের সামনে ভাসছে দৃশ্যটা.
দাদু : আরে মনে করবো কেন? তুই আমার জিগরি দোস্ত. একসাথে কত পাপ করেছি. তুই তো আজ দেখলি…. আমি দু দিন ধরে দেখছি. আমার কি অবস্থা ভাব. উফফফফ……. আর পারা যায়না. তাইতো তোর কাছে ওইটা চাইলাম. এনেছিস?
তরুণ : সে আর বলতে? এই নে. সামলে রাখ. যেন তোর বৌমা আবার টের না পেয়ে যায়. আর রোজ একটু করে যা পাবি তাতে মিশিয়ে দিবি.
দাদু : আরে সে নিয়ে চিন্তা নেই. সেই জন্যে তো লোক রাখাই আছে. কমলাকে দিয়ে দেবো এটা. এমনিতেই কমলার সব খেয়াল আমি রাখি আর ও আমার এইটুকু খেয়াল রাখবেনা. ওর বরতো কোনো কম্মের নয়. বেগার খাটে. কমলার সব রকমের খেয়াল তো আমিই রাখি.
তরুণ : ব্যাস…. আর তোর চিন্তা নেই. এবারে তুই কাজ শুরু করে দে. এটা যা জিনিস না………. একটুতেই ভয়ানক কাজ হবে. দাম অনেক. তাই একটু একটু করে খাবারে মিশিয়ে দিতে বলবি. আর তারপরে এর খেলা দেখবি.
দাদু : সে জন্যই তো অপেক্ষা করছি রে. কিন্তু কাবাব মে হাড্ডিটার কি হবে?
তরুণ : মানে?
দাদু : আরে বাচ্চাটার…..খেলাটা ভালো ভাবে খেলতে হলে মায়ের থেকে ছেলেকে আলাদা করতে হবে. মা একা হলে খেলা ভালো জমবে.
তরুণ : সেটা একদম ঠিক. মায়ের কাছ থেকে বাচ্চাকে আলাদা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে. মা ঘরে একা থাকলে নিজেকে নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ পাবে. ছেলে সাথে থাকলে মা নিজেকে নিয়ে খেলতে পারবেনা. একটা কাজ করা… (এরপরে ফিস ফিস করে কি কথাবার্তা হলো শুনতে পায়নি )
দাদু : দারুন……. এতে কাজও হবে আর ঝামেলাটাও আর জ্বালাতন করবেনা. জানিস কালকেই ধরা পড়ে যাচ্ছিলাম.
তরুণ : কেন রে? বৌমা কি দেখে ফেলেছে?
দাদু : আরে নানা. রাতে তো আমি ওর পিছু নিয়ে বাথরুমে গেছি. তারপরে দরজা দিয়ে কান পেতে আওয়াজ শুনছি. কিসের আওয়াজ বুঝলি তো?
তরুণ : উফফফফ…….. কতদিন মেয়েমানুষের ওই আওয়াজ শুনিনি রে ভাই. শেষ একবার আমার বৌমার শুনেছিলাম. দুপুরে স্নান করতে গিয়ে. তারপরে তো ওরা দিল্লি চলে গেলো. তা তারপরে?
দাদু : আর কি….. দেখি ঝামেলাটা আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে. আমিও অমনি বাহানা করে বেরিয়ে এলাম. কিন্তু এইভাবে রোজ বাঁধা পড়লে চলে? তাই ভাবছিলাম ওকে মায়ের থেকে আলাদা করবো. এতে আমাদের কাজও হবে আর ঝামেলাও থাকবেনা.
আমি ওদের কথাবার্তা শুনে শুধু এইটুকু বুঝলাম হয়তো কমলা মাসির শরীর খারাপ আর তাই ওষুধ এনেছে দাদু. একটু পরে মা চা করে আনলো ওদের জন্য. শুনলাম মা দাদুদের সাথে কথা বলছে. আমি আবার কার্টুন দেখতে লাগলাম. একটু পরে তরুণ দাদু দেখলাম ঘর থেকে বেরিয়ে এলো. আমার কাছে এসে মাথায় হাত বুলিয়ে বললো : আচ্ছা…. আজ আসি বাবু আবার দেখা হবে. এবার আসলে তোমার জন্য চকলেট কিনে আনবো. আজতো খালি তোমার মাকে…… ইয়ে মানে তোমাদের দেখতে এসেছিলাম. এলাম কেমন. দাদুও তরুণ দাদুর সাথে নীচে নেমে গেলো. আমিও একটু পরে বাথরুম যাবার জন্য বাথরুমের সামনে যেতে গিয়ে দেখি মা তখন বাথরুমে ঢুকে গেলো. আমার হিসু পেয়েছিলো তাই ভালবলাম নিচের তলার বাথরুমে যাই. আমি সামলে সামলে দেয়ালে এক হাত দিয়ে নীচে নামতে লাগলাম. সিঁড়িটা যেখানে বেঁকে নীচে নেমে গেছে সেই বাঁকের ঠিক ওপরেই একটা লম্বা জানলা. ওটা খোলাই ছিল . ঐখানে পৌঁছে নীচে তাকিয়ে দেখি দাদু কমলা মাসির সাথে কি কথা বলছে. তখনি দাদু কমলা মাসির হাতে দুটো ছোট ছোট প্যাকেট ধরিয়ে দিলো. প্যাকেটের ভেতর সাদা গুঁড়ো গুঁড়ো কিসব রয়েছে. যেন গুঁড়ো দুধ. ওইটা দেবার পরে দাদু আবার পকেট থেকে একশো টাকার তিনটে নোট বার করে কমলার হাতে দিলো. কমলা মাসি টাকা পেয়ে মুচকি হাসলো আর তারপরে ওই প্যাকেট দুটো নিজের মুঠোতে নিয়ে দাদুর খুব কাছে এগিয়ে এলো. দাদুও এদিক ওদিক তাকিয়ে কমলা মাসির গালে আর ঠোঁটে হাত বুলিয়ে কানে কানে কি যেন বললো. তাতে কমলা মাসিকে দেখলাম চোখ বুজে নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরলো আর নিজের বুকের কাছে হাত বোলাতে লাগলো. তারপরে দাদুর দিকে তাকিয়ে আবার মুচকি হাসলো. আমি ওসব কিছু না বুঝেছি আবার নীচে নামতে লাগলাম. একতলার কাছে এসে দেখি দাদু উঠে আসছে.
দাদু : কি দাদুভাই? নীচে কোথায়?
আমি : খুব হিসু পেয়েছে. ওপরেরটাতে মা গেছে তাই নিচের টাতে যাচ্ছি.
দাদু : তুমি একা পারবেতো?
আমি : হ্যা দাদু. মা বলেছে এখন থেকে একা একা বাথরুমে যেতে. আমি নাকি বড়ো হচ্ছি.
দাদু : বাহ্…. খুব ভালো. যাও যাও.
দাদু ওপরে চলে গেলো. আমি একতলায় গেলাম. নিচের তলায় কমলা মাসি আর ওর বর দূরের একটা ঘরে থাকে. বাকি ঘর বন্ধ. আমি সোজা বাথরুমে ঢুকে গেলাম. হিসু কোনো লাগলাম. উফফফ খুব জোর পেয়েছিলো. এখন শান্তি লাগছে. জল দিয়ে বেরিয়ে আসছি এমন সময় দেখি কমলা মাসি এদিকেই আসছে. আমাকে দেখে হাসলো আর জিজ্ঞেস করলো…..
মাসি : কি গো বাবুসোনা….. এদিকে কি করছো?
আমি : ওই ওপরেরটাতে মা ঢুকেছে তাই এটাতে এসেছিলাম হিসু করতে.
মাসি আমার কাছে এসে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললো : ও….. তা ভালো হিসু চেপে রাখতে নেই. বাহ্…. তোমকে তো একদম তোমার মায়ের মতো দেখতে হয়েছে. সেই এক চোখ এক নাক. এক ঠোঁট. একদম তোমার মায়ের মুখ. সত্যি বাবু…. তোমার মাকে খুব সুন্দরী দেখতে. এমন একজনের সাথে বিছানায় দোলাই মলাই করার মজাই আলাদা.
আমি : কি? কি বললে? দোলাই… কি?
মাসি : ওহ তুমি বুঝবেনা বাবু. তোমার মা খুব ভালো দেখতে. সেটাই বলছিলাম. এখন যাও মায়ের কাছে.
আমি ওপরে উঠে এলাম. দেখলাম দাদু ঘরে আবার কাগজ পড়ছে. আমিও দাদুর পাশে বসে দাদুর দেওয়া একটা গল্পের বই পড়তে লাগলাম. একটু পরে মা এলো আমার কাছে. এসে বললো : বাবু…… তুমি হিসু করেছো? আমি বললাম হ্যা. তারপর মা দাদুকে বললো : বাবা…..দুপুরে আপনার জন্য রুই এর তরকারি করছি. একটু পরে চা করবো. এই বলে মা চলে যাচ্ছিলো তখন দাদু মাকে থামিয়ে ডেকে বললো : বৌমা একটা কথা শোনো. মা ঘুরে দাদুর কাছে এগিয়ে এলো.
দাদু : বৌমা একটা কথা বলবো?
মা : বলুন না বাবা.
দাদু : জানি এটা বলা ঠিক নয়. দাদুভাই এখনও ছোট তাও বলছি. দাদুভাই যদি আমার সাথে এই ঘরে শোয় তাহলে কি তোমার অসুবিধা হবে? আসলে ওই খাটে তিনজন হয় ঠিকই কিন্তু দুজন শুলে ভালো ভাবে শুতে পারবে. আর তাছাড়া যে কদিন দাদুভাই আমার এখানে আছে আমি ওর সাথে সময় কাটাতে চাই.
মা হেসে বললো : না না বাবা. কোনো সমস্যা নেই. আপনি ওকে নিয়ে ঘুমোন. আমাদের কোনো আপত্তি নেই.
দাদু আমার দিকে তাকিয়ে বললেন : কি দাদু? আমার সাথে শুতে অসুবিধা হবেনাতো? মায়ের কাছে যেতে চাইবেনা তো? তুমি কিন্তু নিজেই বলেছো তুমি বড়ো হচ্ছ.
আমি : হ্যা দাদু….. আমি পারবো. আমি তোমার সাথে শোবো.
মা আর দাদু হাসাহাসি করলো. সেদিন বুঝতে পারিনি এই ব্যাপারটা ছিল আমার কাছ থেকে আমার মায়ের দূরে সরে যাবার প্রথম পদক্ষেপ.
সারাদিন ভালোই কাটলো. দুপুরে ঘুমিয়ে আর সন্ধে বেলায় দাদুর সাথে গল্প করতে করতে আর খেলতে খেলতে কখন যে রাত নেমে এলো বুঝতেও পারিনি. রাতের খাবার খেয়ে কিছুক্ষন হাটাহাটি করলাম দাদুর সাথে. বাবার অনেক রাত অব্দি টিভি দেখার অভ্যেস. কিন্তু এখানে দেখলাম দাদুর কথাই শেষ কথা. দাদুর একবার বলতেই বাবা টিভি বন্ধ করে শুতে চলে গেলো.
মা এসে দাদুর ঘরে আমার বালিশ, চাদর দিয়ে গেলো আর বলে গেলো যেন দাদুকে বেশি জ্বালাতন না করি. মা আমার মাথায় চুমু খেয়ে চলে গেলো. আমি আর দাদু শুয়ে পড়লাম. দাদুকে বললাম একটা ভুতের গল্প বলতে. দাদু বলতে শুরু করলো. শুনতে শুনতে কখন যে চোখ লেগে গেছে বুঝতেই পারিনি. হটাত পাশ ফিরে কোলবালিশ জড়িয়ে ধরতে গিয়ে কাছে পেলাম না. তখনি ঘুমটা কেটে গেলো. দেখি কোলবালিশ ওই দূরে পড়ে আছে আর দাদু ঘরে নেই. আমি এদিক ওদিক তাকালাম. আমি ছাড়া ঘরে কেউ নেই. আমার ভয় করতে লাগলো কারণ একা আমি ঘুমোতে পারিনা. আমি তাও কিছুক্ষন অপেক্ষা করলাম. ভাবলাম দাদু বাথরুমে গেছে একটু পরেই ফিরে আসবে. কিন্তু আরও কিছুক্ষন সময় পার করার পরেও যখন দাদু ফিরলোনা তখন ভয় বেড়ে গেলো. আমি সাহস জুগিয়ে নীচে নামলাম লাফিয়ে. তারপরে দরজা দিয়ে বেরিয়ে এলাম. দোতলার জানলা গুলো খোলা তাই সেইখান দিয়ে চাঁদের আলো ঘরে ঢুকছে তাই অন্ধকার নেই. আমি প্রথমে বাথরুমের কাছে গেলাম. কিন্তু একি? বাথরুম তো খোলা. ভেতরে কেউ নেই. আমি আবার ফিরে এলাম. রাত তখন কটা আমি দেখিনি. আমি এদিক ওদিক দাদুকে খুঁজছি হঠাৎ দেখলাম হল ঘরের ওপাশে বারান্দা দিয়ে আলো দেখা যাচ্ছে. মানে বাবা মায়ের ঘরে আলো জ্বলছে. আমি কি মনে করে ওদিকে যেতে লাগলাম. হল ঘর পেরিয়ে বারান্দার কাছে এসে দেখি সত্যি আমাদের ঘরে আলো জ্বলছে কারণ জানলার পাল্লা খোলা সেখান দিয়ে আলো বেরিয়ে আসছে. আর সেই আলোতেই দেখতে পেলাম দাদু আমাদের জানলার কাছে দাঁড়িয়ে আর দাদুর হাতে কি একটা লম্বা মতো দেখলাম. আমি সাহস করে একটু এগিয়ে গেলাম. তখনি আমার নজর পরলো জানলায়. জানলা দিয়ে ঘরের আয়নাটা স্পষ্ট দেখা যায় আগেই বলেছি. এবারে ওই আয়নায় দেখলাম বাবাকে. বাবার গায়ে কোনো জামা নেই কিন্তু বাবা নড়ছে. একটু পরে আর বাবাকে দেখতে পেলাম না. আবার দেখলাম আমি. কিন্তু এবারে বাবা নয় মাকে. মা নিজের চুলে দুই হাত বোলাচ্ছে আর আর ওপরের দিকে তাকিয়ে হাসছে. মায়ের গায়েও দেখলাম কোনো কাপড় নেই. মায়ের ফর্সা শরীরটা আয়নায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে. আর মায়ের দুদু দুটো পাশ থেকে দেখা যাচ্ছে. আমি ভাবলাম মা কি কাপড় বদলাচ্ছে? কিন্তু এত রাতে কেন কাপড় বদলাবে? আমি এসব ভাবছি তখন দেখি মা হঠাৎ লাফাতে শুরু করলো. মা যেন বিছানায় বসে বসেই লাফাচ্ছে. এবারে মা আর হাসছেনা বরং নিজের দুই হাত নিজের দুদুর ওপর রেখে আরও জোরে লাফাতে লাগলো. ওদিকে দাদুকে দেখলাম নিজের হাতে ধরে থাকা লম্বা জিনিসটা খুব জোরে জোরে নাড়ছে আর আয়না দিয়ে ভেতরের জিনিস দেখছে. আমি আবার আয়নায় দেখলাম. মা ওই ভাবেই নিজের দুদু দুটো একহাতে চেপে ধরে অন্য হাতে নিজের চুল নিজেই খামচে ধরে লাফাচ্ছে. তখনি দেখলাম নিচের থেকে দুটো হাত উপরে উঠে মায়ের যে হাতটা দুদু দুটো চেপে ধরে ছিল ঐখান থেকে সরিয়ে দিলো. এবারে মা নিজের দুই হাতে নিজের চুল ধরে আরও জোরে লাফাতে লাগলো. এরফলে দেখ্লাম মায়ের দুদু দুটো যেন আগের থেকেও বেশি ফুলে উঠেছে আর ওগুলো তিড়িং তিড়িং করে ওপর নীচে লাফাচ্ছে. একটু পরে মা নিজের একটা দুদু হাতে ধরে নিলো. তারফলে পাশের দুদুটা পাগলের মতো লাফাতে লাগলো. দুদুটা যেন আরও ফুলে উঠেছে. মা দেখলাম ঠোঁট কামড়ে চোখ বুজে লাফাচ্ছে. কিসের ওপর লাফাচ্ছে তা বুঝলাম না. তবে আমি আগে মাকে এইভাবে কোনোদিন দেখিনি তাই মাকে দেখে অবাক লাগছিলো. আমি দেখলাম দাদু একদৃষ্টিতে মায়ের দিকেই তাকিয়ে আছে আর দাঁত খিঁচিয়ে কিসব বলছে আপন মনে আর হাত নেড়ে চলেছে. আমিও প্রথম বার মায়ের দুদু এইভাবে দুলতে দেখলাম. এর আগে কয়েকবার দেখেছি কিন্তু মা যখন কাপড় পাল্টায় তখন কিন্তু তাও পেছন থেকে. মূলত মা আয়নার সামনে সায়াটা মুখে কামড়ে ধরে তার ভেতর হাত ঢুকিয়ে নিজের ব্রা পাল্টায়. তাও কয়েকবার চোখে পড়েছে মায়ের দুদু. কিন্তু এইভাবে আজকের মতো দুলতে কোনোদিন দেখিনি. কিন্তু মায়ের ওই দুদুর দুলুনি ঐভাবে দাদু কেন দেখছে বুঝলাম না. ঐভাবে মায়ের দিকে চেয়ে থাকার কি আছে তাও বুঝলাম না. মায়ের দুদুর দিকে ঐভাবে তাকানোর কি আছে? তখন দেখলাম মাকে আয়নায়. মা মাথা নিচু করে কাউকে কিছু বলছে আর না সূচক মাথা নাড়ছে. বোধহয় বাবাকে কিছু বলছে. কিন্তু একটু পরেই আহ্হ্হহহ্হঃ করে বাবার একটা আওয়াজ পেলাম তারপরে মাকেও দেখলাম থেমে গেলো. মা একটু রাগী রাগী ভাবে বাবাকে কিছু বলছে শুনলাম. তখনি দেখলাম দাদু ফিরে আসছে. আমি বোকা খাবার ভয় আবার ঘরে ফিরে এলাম আর বিছানায় কোনোরকমে উঠে শুয়ে পড়লাম. একটু পরে দাদু ফিরে এলো আর আমার পাশে শুয়ে পরলো. দাদু বিড়বিড় করে কিসব যেন বলছিলো. যতটুকু শুনলাম তাতে অবাক হলাম. যদিও কিছু বুঝলাম না. শুনলাম দাদু বলছে : উফফফ…. হতচ্ছাড়া কোনো কম্মের নয়. বৌটাকে একটু শান্তি দেবার ক্ষমতা নেই. অকাজের ছেলে জন্মেছে শালা আমার ঘরে. কোনো যোগ্যতা নেই ব্যাটার. উফফফফ আর কিছুক্ষন নিজেকে আটকে রাখতে পারলোনা? আমি ওই জায়গায় থাকলে ভোরের আগে থামতাম না. উফফফফ কবে যে হতচ্ছাড়াটার জায়গা আমি নেবো . আর ওকে পাবো. উফফফফ কি মাল রে.
তখন ওসব কথার কিছুই বোঝার বয়স হয়নি তাই বুঝতেও পারলাম না আমার দাদু আমার পাশেই শুয়ে আমার আপন মানুষটার নামে তখন কি সব কথা বলছিলো. আর আজ যা দেখলাম তার থেকেও লক্ষ্য গুন বেশি ভয়ানক সব জিনিস আমি দেখতে চলেছি.


জীবন কি অদ্ভুত. কখনোও মনে হয় কত সহজ আবার কখনো মনে হয় কত পেঁচালো. যদিও আমি তখন যে বয়সে ছিলাম তখন এসব বোঝার মতন জ্ঞান, বুদ্ধি আমার হয়নি. তখন আমার কাছে জীবন হলো আনন্দ সুখ আর বাবা মা. কিন্তু ওই বয়সেই যে জীবনের উগ্র রূপটা আমি দেখে ছিলাম সেটা ছিল ভয়ঙ্কর. সেদিন রাতের পরের দিনটি বেশ স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছিল. কিন্তু জানতাম না ওই দিন থেকেই খেলা শুরু হয়ে গেছিলো. সেদিন বাবা আর মা ঘরে কথাবার্তা বলছে, দাদু ছাদে হাঁটাহাঁটি করছে. আমি টিভি দেখে একঘেয়ে ফিল করছি. তাই ভাবলাম আমার বলটা নিয়ে বাইরে খেলা করি. ঘরে খেললে যদি কোথাও ছিটকে লেগে কিছু ভেঙে যায়. আমি একতলায় নেমে সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে বল নিয়ে খেলছি. বলটা ওপরের দেয়ালে ছুড়ে মারছি আর বলটা দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে আবার গড়িয়ে গড়িয়ে আমার কাছে ফিরে আসছে. নীচে দালানে বাসন মাজার আর কলের জল পড়ার আওয়াজ পাচ্ছিলাম. মনে হয় কমলা মাসি বাসন ধুচ্ছে. আমি আমার মতো খেলছিলাম. হঠাৎ শুনি একটা মেয়েমানুষের গলা : কিরে কমলা কেমন আছিস? কমলা মাসি বলে উঠলো ভালো গো দিদি. আসো আসো.
আমি একটু উঁকি মেরে দেখলাম কমলা গেট খুলে ঢুকলো একজন মহিলা. তাকেও মনে হলো কোনো বাড়ির কাজের বৌ. একটু মোটা আর গায়ের রং সামান্য কালো. কিন্তু তাকে দেখে আমার ভালো লাগলোনা. কেমন যেন দেখতে. বিশেষ করে হাসিটা খুব বিচ্ছিরি. সে এগিয়ে এসে কমলার সামনে এসে দাঁড়ালো. কমলা মাসিও উঠে দাঁড়িয়ে হেসে হেসে তার সাথে কথা বলতে লাগলো. আমি আবার খেলায় মন দিলাম. ওদের কথা আমি বেশ ভালোই শুনতে পাচ্ছিলাম. কমলা মাসি বলছিলো….
কমলা : কেমন আছো চাঁপা দি? কয়েকদিন তোমার ওদিকে যাওয়া হয়নি.
চাঁপা : সেই জন্যই তো জানতে এলাম রে. কিরে? খুব ব্যাস্ত নাকি? কাউকে জুটিয়ে ফেলেছিস নাকি?
কমলা : আরে ধুর….. ওসব নয়. আসলে বাড়িতে বাবুর নিজের লোক থাকতে এসেছে. তাই ওদের খেয়াল রাখতে হচ্ছে তো তাই আর তোমার ওখানে যাওয়া হচ্ছেনা.
চাঁপা : বাবুর কোনো আত্মীয়?
কমলা : বাবুর নিজের ছেলে গো. তোমায় বলেছিলাম না…. ছেলে কোলকাতাতেই থাকে. সেই ছেলে এসেছে বৌ বাচ্চা নিয়ে. আমিতো এসের প্রথম দেখলাম. বাচ্চাটা কি মিষ্টি গো কি বলবো.
চাঁপা : ও….. তা বাবু নিশ্চই খুব খুশি নাতিকে কাছে পেয়ে?
কমলা : সেতো খুশি. কিন্ত শুধু নাতিকে পেয়ে নয়.
চাঁপা : ও ছেলে এতদিন পর ফিরলো তাই ছেলেকে পেয়ে খুশি. তাইতো?
কমলা : আরে না গো. বাবু ওদের কাউকে পেয়ে ওতো খুশি হয়নি হাতটা বৌমাকে কাছে পেয়ে হয়েছে. আসার পর থেকে দেখছি বাবু বৌমার কি খেয়ালটাই না রাখছে.
চাঁপা : বাব্বা….. হারামজাদা বুড়োর এই বয়সেও এত ছোক ছোকানি?
কমলা : তা যা বলেছো. তবে নাই বা কেন বলো. যা একখানা মাল না ওই বাবুর বৌমা….. উফফফ আমারই কেমন কেমন লাগে মাগীকে দেখে.
চাঁপা : সেকিরে ! কেন? শহুরে মেয়ে দেখতে শুনতে ভালো তাই?
কমলা : তুমিতো দেখোনি. উফফফফ রূপ যেন ফেটে পড়ছে. যেমন রূপ তেমনি শরীর. কে বলবে একটা ছেলের মা. একটুও কোথাও মেদ জমেনি.
চাঁপা : কি বলছিস রে !!
কমলা : হ্যা গো বাচ্চাটাকে একদম মায়ের মতো ফুটফুটে দেখতে. সত্যি গো দিদি তুমি যদি দেখতে বাচ্চাটার মাকে. উফফফ আমিই নিজেকে সামলাতে পারিনা মাগীটার রূপ দেখে. আর ওই দুটোর যা সাইজ না উফফফ. সেদিন ম্যাক্সি পড়ে নীচে বসে সবজি কাটছিলো, আমি দাঁড়িয়েছিলাম. ওপর দিয়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো খাঁজটা. উফফফফ কি বিরাট বিরাট দুটো তরমুজ কি বলবো দিদি. ওই পাতলা শরীরে তৈরিকম দুটো তরমুজ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে….. ভাবো একবার.
চাঁপা : উফফফফফ….. আমার তো খানকি টাকে দেখতে ইচ্ছে করছে রে. ইচ্ছে করছে মাগীটাকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে চটকাই. দুজনের মিলে একে ওপরের সাথে চটকা চটকি করি. উফফফফ. এই কমলা….. তোর বাবুর বোমাটাকে পটানো যায়না? একবার যদি পটানো যেত তাহলে তোকে বলতাম ওকে নিয়ে আমার বাড়িতে দুপুরে চলে আয়. তুই তো জানিস আমার বড়টা কাজে বেরিয়ে যায়. বাচ্চাগুলো স্কুলে থাকে. ওই সময়টায় তুই আমি মিলে মাগীটাকে আয়েশ করে চটকাতাম. তিন বৌ মিলে ছেনালিগিরি করতাম. তুই যা বর্ণনা দিলি তাতে তো মাগীর মাই চুষতে ইচ্ছে করছে রে. কিছু ব্যবস্থা করনা.
কমলা : আরে আমিও তো মাগীটার সাথে মস্তি করতে চাই. কিন্তু যতই হোক শহরের মেয়ে. তাই ভয় হচ্ছিলো. কিন্তু এখন আমার হাতে এমন জিনিস এমন জিনিস এসেছে না….. ওই শালী নিজে এসে ধরা দেবে.
চাঁপা : কি রে? কি আছে তোর কাছে?
কমলা : সে না হয় পরে জানলে. আগে সব ঠিক থাক করি. আগে ও আমার হাতে ধরা দিক. তারপরে তোমার ওখানে নিয়ে যাবো. তুমি আমি আর ও মিলে ছেনালিগিরি করবো তখন. দরকার হলে পরে তোমার ওই ভাইয়ের বৌটাকেও নিয়ে নিও. ওই মাগীটাও হেবি খানকি. ওকেও আমাদের দলে টেনে নেবো. একবার এই সুন্দরী পটে গেলে ওকে রোজ দুপুরে তোমার বাড়িতে নিয়ে যাবো আর সব মেয়েরা মিলে একে অপরকে নিয়ে খাবো কি বলো?
চাঁপা : সেতো অবশ্যই. তুই লেগে থাক. এখন যাইরে…… বাজারে বেরিয়ে ছিলাম. এলাম.
আমি আমার মতো খেলতে লাগলাম. দুপুরে স্নানের সময় হয়ে গেলো. আজকে মা আমায় সাবান মাখিয়ে স্নান করিয়ে দেবে. তাই মা আমাকে নিয়ে নিচের বাথরুমে গেলো. ওটা দোতলার থেকে অনেক বড়ো আর তাছাড়া বাবা ছোটোটায় ঢুকেছিলো. মা আমাকে নিয়ে বাথরুমে ঢুকলো. মা আমাকে স্নান করাতে লাগলো. আমাকে ভালো করে স্নান করিয়ে মুছিয়ে দিলো মা তারপর বললো ওপরে যেতে. আমি ওপরে যাচ্ছি তখনি মা আমাকে পেছন থেকে ডাক দিলো. আমি মায়ের কাছে গেলাম. মা আমায় বললো সে নিজের ম্যাক্সিটা পাল্টাবে. কিন্তু ভুল করে নতুন ম্যাক্সিটা ওপরেই রেখে এসেছে. আমি যেন ওপর থেকে এনেদি. আমি মায়ের কথা মতো ওপরে গিয়ে ঘর থেকে মায়ের ম্যাক্সিটা নিয়ে নীচে নেমে এলাম. একতলায় এসে দেখি মায়ের বাথরুমের বাইরে কমলা মাসি দাঁড়িয়ে আছে. আমি আসবো বলে মা দরজা ভিজিয়ে রেখেছে. ভেতরে একটা পুরোনো আয়না. দরজার ফাঁক দিয়ে আয়নায় দেখতে পাচ্ছি মা ততক্ষনে নিজের ম্যাক্সিটা খুলে ফেলেছে. আর নিজের খোপা খুলে আয়নায় নিজেকে দেখছে. আমি দেখলাম মাকে ওই ভাবে দেখে কমলা মাসি নিজের শরীর আঁচলটা দাঁতে কামড়ে ধরলো আর হাসলো. আমি এগিয়ে যেতে লাগলাম. আমাকে দেখে কমলা মাসি হেসে আমার গাল টিপে ওখান থেকে চলে গেলো. তবে যাবার আগে আরেকবার ওই দরজার ফাঁকে তাকিয়ে মাকে দেখলো তারপর চলে গেলো. আমিও মায়ের দরজার কাছে হয়ে মাকে ডাকতেই মা দরজা ফাঁক করে আমার হাত থেকে ম্যাক্সিটা নিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো. আমিও ওপরে চলে এলাম. সেদিন বিকেলে আমি ঘুম থেকে উঠে দাদুর সাথে গল্প করছি. একটু পরে আমার হিসু যাবার প্রয়োজন হলো. আমি দাদুর ঘর থেকে বেরিয়ে বাথরুমে গেলাম. কিন্তু সেটা ভেতর থেকে বন্ধ. মনে হয় মা বা বাবা ভেতরে গেছে. আমি কি আর করতাম তাই চট করে দোতলার দরজা দিয়ে নেমে একতলায় চলে এলাম. সেখানে এসে একতলার বাথরুমে আসছি এমন সময় বাথরুমের ভেতর কারোর শব্দ পেলাম. তাহলে কি এই বাথরুমেও লোক আছে? আমি দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম. ভেতর থেকে কারোর পায়ের শব্দ পাচ্ছি. এই বাথরুমের দরজাটা আরও পুরোনো. তাই দুই পাল্লার মাঝে অনেকটা ফাঁক হয়ে গেছে. সেই ফাঁক দিয়ে স্পষ্ট দেখতে পেলাম ভেতরে কমলা মাসিকে. সে হয়তো হিসু করতে এসেছে. আমি দাঁড়িয়ে রইলাম. কিন্তু হঠাৎ একটা জিনিস দেখে অবাক লাগলো. দেয়ালে টাঙানো পুরোনো আয়নায় দেখতে পাচ্ছি রডে মায়ের কাপড় কেচে শুকোতে দেওয়া. মা যখন স্নানে এসেছিলো তখনি এগুলো নিয়ে এসেছিলো. কমলা মাসিকে দেখলাম সেই রড থেকে মায়ের কালো ব্রা টা তুলে নিলো আর হাতে নিয়ে দেখতে লাগলো. তারপরে নাকের কাছে এনে সেটা শুকলো. তারপরে আয়নায় নিজেকে দেখে হাসলো. তারপরেই নিজের আঁচল সরিয়ে শাড়িটা গায়ের থেকে খুলে. ব্লউস টা খুলে ফেললো. আমি ভাবছি যা বাব্বা এসবের আবার মানে কি? দেখলাম মায়ের ব্রাটা নিয়ে নিজের দুদুর ওপর চেপে ধরলো. তারপর ওই ভাবে ধরে থেকেই নিজের দুদু ব্রা সহিত হাতে নিয়ে ঝাঁকাতে লাগলো. আর কেমন করে হেসে উঠলো. আমার এদিকে হিসুর চাপ বেড়ে গেছে. আমার পক্ষে আর দাঁড়ানো সম্ভব নয়. আমি ওই সময় বুঝতেই পারিনি কমলা মাসি মায়ের ব্রা হাতে নিয়ে কি করছিলো, আমি আবার ছুটে ওপরে গেলাম. দেখি বাথরুম ফাঁকা তাই ঢুকে হালকা হলাম.
চোখের সামনে যে গুলো ঘটতে দেখছিলাম তার কিছুই বোঝার মতো বয়স হয়নি বলে বুঝতেই পারিনি সামনে কি ঝড় আসতে চলেছে.


রাতের খাবার পরে বাবার কাছ থেকে একটা দুঃসংবাদ পেলাম. বাবাকে নাকি ব্যাবসার জন্য কয়েকদিনের জন্য বাইরে যেতে হবে. একটা দরকারি মিটিং আছে আর তাছাড়া ব্যাবসার কিছু মালপত্র আসবে আর সেই জন্য বাবাকে বাড়িতে থাকতে হবে. অন্তত ১০ দিনের ব্যাপার. এটা শুনে আমি আর মা দুজনেই খুব দুঃখ পেলাম কিন্তু বুঝিনি আমার পাশে বসে থাকা মানুষটির মুখে হাসি খেলা করছিলো.
বাবা : কয়েকদিনের তো ব্যাপার. দেখতে দেখতে ওই কটা দিন কেটে যাবে.
মা : সেতো বুঝলাম কিন্তু…….
দাদু : আহা বৌমা… ওকে যেতে দাও. ব্যাবসার দরকারি কাজ. আর তোমরা তো থাকলে আমার এখানে. বাবু…. তুই যা. ওদের নিয়ে কোনো চিন্তা করিস না. আমি আছি এখানে. তাছাড়া রোজ ফোন তো করবিই. আর হ্যা… একবার আমার ঘরে আসিস তো.
বাবা : হ্যা বাবা আসছি.
একটু পরে বাবা দাদুর ঘরে গেলো আর মা এদিকে বাবার জন্য ছোট একটা ব্যাগ গুছিয়ে দিতে লাগলো. আমি হল ঘরেই ছিলাম. একটু পরে বাবা আর দাদুর একটু জোরগলায় কথোপকথন শুনতে পেলাম. তাই পর্দা ফাঁক করে উঁকি মেরে দেখলাম বাবা কিছু একটা নিয়ে না না করছে কিন্তু দাদু জোর করে বাবার হাতে কিছু ধরিয়ে দিলো. আমি ভালো করে দেখলাম নোটের বান্ডিল. কত টাকা তা বুঝিনি.
বাবা : বাবা….. এর কি দরকার ছিল?
দাদু : হ্যা… ছিল. সেই কবে থেকে বাইরে থাকিস. আমি তো তোদের জন্য কিছুই করতে পারলাম না. এখন তোকে টাকা দেবনাতো কাকে দেবো রে পাগলা? যা……. সাবধানে. আর ভালো করে কাজ সেরে আয়. তাছাড়া যখন তখন টাকার প্রয়োজন পড়তে পারে. এটা রাখ তোর কাছে.
বাবা মা আমায় বলেছে টাকা নিয়ে এই বয়সে আলোচণা করা উচিত নয় তাই আমি ওখান থেকে চলে এসে আবার টিভি দেখতে লাগলাম. একটু পরে বাবা দাদুর ঘর থেকে বেরিয়ে মায়ের ঘরে গেলো. আমিও বাবার সাথে গেলাম. বাবা মাকে দেখালো দাদু কি দিয়েছে. মা ওতো টাকা দেখে অবাক হলো কিন্তু খুশিও হলো. মা বাবাকে বললো কটায় ট্রেন? বাবা বললো ভোরের টা ধরতে হবে. ৫ টার অ্যালার্ম দিয়ে দি. সেদিন তাড়াতাড়ি বাবা মা আর ওদিকে আমি আর দাদু শুয়ে পড়লাম. ভরে মায়ের ডাকে ঘুম ভাঙলো. আমি চোখ দলে উঠে বসলাম. মা আমাকে বললো : বাবা যাচ্ছে… দেখা করবিনা? আমার মনে পড়ে গেলো. আমি একতলায় এলাম মায়ের সাথে. দেখলাম দাদু বাবার সাথে কথা বলছে. পেছনে কমলা মাসি দাঁড়িয়ে. মা আমাকে নিয়ে বাবার কাছে এলো. বাবা আমাকে দেখে আমায় কোলে নিয়ে গালে চুমু খেয়ে বললো : ভালো ছেলে হয়ে থাকবে কেমন? একদম দুস্টুমি করবেনা. দাদুকে বা মাকে জ্বালাতোন করবেনা. একদম আমাকে নিয়ে চিন্তা করবেনা. আমি খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবো.
এইবলে বাবা আমাকে মায়ের কোলে দিয়ে দিলো. দাদু বললো : তুই একদম ওদের নিয়ে ভাবিস না. সাবধানে যা আর কাজ কর. বৌমার জন্য আর দাদুভাইয়ের জন্য আমি রইলাম তো. তুই সাবধানে যা. বাবা দাদুর পা ছুঁয়ে, মাকে আর আমাকে হাসি দিয়ে ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেলো. তখনো জানতাম না হাসিমুখে যে মানুষটা চলে যাচ্ছে…… ফিরে এসে কি পরিমান চমক পেতে চলেছে. বাবা বেরিয়ে গেলে দাদু দরজা লাগিয়ে দিলো আর আমাকে কোলে নিয়ে বললো : বৌমা তুমি যাও ওপরে গিয়ে আরেকটু ঘুমিয়ে নাও. এত সকালে উঠেছো. চলো দাদুভাই তুমিও চলো আমরা আরেকটু ঘুমিয়ে নি. মা হেসে চলে গেলো. তবে দাদু আমাকে নিয়ে যাবার সময় দেখলাম কমলা মাসি তখনো দাঁড়িয়ে আছে. আর দাদুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছে. আমি দাদুর দিকে তাকালাম. দেখি দাদুও মাসিকে দেখে মুচকি মুচকি হাসছে. তারপরে আমাকে নিয়ে ওপরে এসে শুয়ে পরলো দাদু. একটু পড়ে দাদু উঠে বাইরে গেলো. হয়তো বাথরুমে গেলো. আমার চোখে এমনিতেই ঘুম ছিল তাই শুয়েই ঘুমিয়ে পড়লাম. সকালে আটটা নাগাদ উঠলাম. দেখি মা হাই তুলতে তুলতে ঘর থেকে বেরিয়ে বাথরুমে গেলো. আমি সোফায় বসে বই পড়তে লাগলাম আর দাদু কাগজ পড়তে লাগলো. একটু পরে মা এসে আমার পাশে বসলো. তবে তার সামান্য পরেই দেখি কমলা মাসি চা বানিয়ে এনেছে. চা এনে মাসি মাকে একটা কাপ দিলো.
মা : আজ চা তুমি আনলে?
মাসি : হ্যা গো দিদি. আমিই তো চা করি. এবারে থেকে আর তোমাকে ওতো খাটাখাটনি করতে হবেনা. আমি আছি তো.
হঠাৎ পেছন থেকে দাদুর গলা : হ্যা… মা. কমলা ঠিকই বলেছে. তুমি আমার বৌমা হয়ে এত খাটবে কেন? ও সব কমলা সামলে নেবে. তুমি খালি আমার জন্য দুবেলা চা বানিয়ে দিলেই আমার হবে.
মা হেসে চায়ে চুমুক দিলো. ওদিকে মাসি দাদুকে চা দেবার সময় ওদের চোখে চোখে কি কথা হলো বুঝলাম না. দাদু কমলা মাসির হাত থেকে চা নিয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখলো. কমলা মাসিও মায়ের দিকে তাকালো. মা তখন চা খাচ্ছে. দাদু আর মাসি এবারে একে ওপরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো. তারপরে কমলা মাসিকে কি বলবে বলে দাদু তাকে নিজের ঘরে নিয়ে গেলো. আমি মায়ের পাশে বসে বই পড়তে পড়তে লুচি খেতে লাগলাম. এই ভাবে সময় পার হয়ে গেলো. স্নানের সময় হয়ে গেলো. আমি দাদুর ঘরে ছিলাম. ঘর থেকে বেরিয়ে মায়ের কাছে যেতে লাগলাম. কারণ মা আমায় এখনও স্নান করিয়ে দেয়. ঘরে গিয়ে দেখি মা বিছানায় হেলান দিয়ে বসে কিন্তু কেমন যেন লাগছে মাকে. মা আয়নায় নিজেকে দেখছে আর নিজের গলায় আর চুলে হাত বোলাচ্ছে. একটু পরে দেখি মা নিজের ম্যাক্সিটা হাঁটু অব্দি তুলে নিজেকে আয়নায় দেখছে আর বার বার ঠোঁটে জিভ বোলাচ্ছে. আমি মায়ের কাছে যেতেই মা নিজের ম্যাক্সি নামিয়ে নিলো আর আমায় বললো : কি বাবু কি হয়েছে? আমি মাকে বললাম : স্নান করবে না? আমায় স্নান করিয়ে দেবে না? মা ঘড়ির দিকে তাকালো আর বললো : ওমা… দেরি হয়ে গেছে. চল চল তাড়াতাড়ি. নিচেরটাতে চল. ওটা বড়ো.. ওটায় সুবিধা. এই বলে মা নিজের তোয়ালে আর আমাকে নিয়ে নীচে নেমে এলো. নীচে এসে দেখি বাথরুমে কমলা মাসি ঢুকে কলের তলায় বসে স্নান করছে. নিজের সায়াটা বুক অব্দি বেঁধে. কমলা মাসিকে দেখে মা প্রথমে অপ্রস্তুত হয়ে পরলো তারপরে বললো : ও তুমি রয়েছো? আচ্ছা ঠিক আছে আমি ওপরে যাচ্ছি. কমলা মাসি অমনি উঠে দাঁড়িয়ে বললো : আরে দিদি আসুন না. এত বড়ো বাথরুম. আর তাছাড়া আমরা দুজনই তো মেয়ে মানুষ. অসুবিধা কি? আর ও তো ছোট. এসো বাবু…. আমি আর মা মিলে তোমায় স্নান করিয়ে দি. দিদি…. দরজাটা বন্ধ করে দিন. কমলা মাসির হঠাৎ এরকম জোর জবরদস্তি দেখে মা আর কিছু বলতে পারলোনা. তাছাড়া মাকে দেখছি বার বার কমলা মাসির দিকে কেমন করে তাকাচ্ছে. একটু পরে মা আমার কাপড় খুলে আমাকে স্নান করাতে লাগলো. আমি ছোট মানুষ তাই অসুবিধা হলোনা. ওদিকে কমলা মাসি মগ দিয়ে জল তুলে মাথায় ঢালছে. কমলা মাসি সায়াটা ফাঁক করে ভেতরে জল ঢালছে. কিন্তু মাকে দেখলাম কমলা মাসির এইভাবে স্নান করাটা বার বার তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে. মাঝে মাঝে আমায় সাবান মাখাতে মাখাতে থেমে গিয়ে মাথা ঘুরিয়ে কমলা মাসির দিকে দেখছে. এইবার মাসিও মায়ের দিকে চাইলো. মা অমনি চোখ ফিরিয়ে নিলো. মাসিকে দেখলাম মায়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসতে আর জিভ চাটতে. এবারে হঠাৎ কমলা মাসি এগিয়ে এসে মাকে বললো : দিদি তুমিও বসে পড়ো নীচে. আমি তোমায় সাবান লাগিয়ে দি?
মা : এমা নানা… ওকে স্নান করিয়ে আমি করছি.
কমলা মাসি মায়ের হাতে হাত রেখে বললো : আরে দিদি….. আমরা দুই মেয়ে মানুষ. লজ্জা কিসের? এসো তো এসো. দেখো বাবু তোমার মা লজ্জা পাচ্ছে.
আমি হাসলাম. ওদিকে মা কেন জানেনা কমলা মাসিকে বারণ করতে পারছেনা. ওদিকে মাকে কমলা মাসি নিজের দিকে টেনে বলছে : বৌদি…. নাও নাও খোলো. আমি ততক্ষনে তোমার ছেলেকে সাবান মাখিয়ে দিচ্ছি.
মা : উঃ…. তুমিও না. আচ্ছা আচ্ছা খুলছি. তুমি….. তুমি অজয়কে সাবান মাখিয়ে দাও. (আমার দিকে তাকিয়ে) বাবু ওদিকে তাকাও সোনা….. আমি কাপড় পাল্টাবো.
আমি পেছনে ফিরে রইলাম. আর মাসি আমার মাথায় সাবান লাগিয়ে দিতে লাগলো. কিন্তু মাসি প্রায়ই থেমে যাচ্ছিলো. আমি মাসি কেন থেমে যাচ্ছে দেখার জন্য পেছনে ফিরে চাইতে দেখি মাসি আমার মায়ের দিকে চেয়ে আছে. মা তখন ম্যাক্সি খুলে ফেলেছে আর তোয়ালে গায়ে জড়াচ্ছে. আমি ভেবে পেলাম না এটা অমন করে দেখার কি আছে. মাসি আবার আমার মাথায় সাবান লাগাতে লাগলো. একটু পরে মা আবার এসে আমাকে স্নান করিয়ে দিতে লাগলো. আমার স্নান হয়ে গেলে মা আমাকে জামা প্যান্ট পরিয়ে বললো : যাও ওপরে যাও. আমি স্নান করে আসছি. আমি বেরিয়ে এলাম আর বাইরে এসে গায়ে রোদ মাখতে লাগলাম. মা রোজ স্নান সেরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে রোদ পোহাতো. একটু পরে ওই বাথরুম থেকে দুজনের হাসাহাসির শব্দ পেলাম. আমি ভবলাম মা হঠাৎ হাসছে কেন? যাই দেখে আসি. আমি ওই দরজার পাল্লার ফাঁক দিয়ে দেখতে পেলাম. মা টুলের ওপর বসে আছে আর পেছন থেকে কমলা মাসি মায়ের পিঠে সাবান মাখিয়ে দিচ্ছে. মা তোয়ালে টা নিজের বুকের ওপর দুই হাতে চেপে ধরে আছে. ওরা কিছু বলাবলি করছে কিন্তু বুঝলাম না কি. আমার মনে পড়ে গেলো কোনো একটা হিন্দি ফিল্মে এরকম দেখেছিলাম. গাঁয়ের মেয়েরা এইভাবে একে অপরকে স্নান করিয়ে দিচ্চিলো সেই ফিল্মে. আমার মাকেও দেখে ওরকম লাগছিলো. তবে মাকে কোনোভাবেই গাঁয়ের মেয়ে লাগেনা. কিন্তু আজ এই গ্রামের বৌটির সাথে মা যেন নিজেও গাঁয়ের মেয়ে হয়ে উঠেছে. মাকে দেখে মনে হচ্ছিলো মা খুব আরাম পাচ্ছে. কারণ মাঝে মাঝেই মা চোখ বুজে একটু হেসে উঠছে. এইবারে দেখলাম কমলা মাসি মায়ের পিঠ থেকে হাত মায়ের কাঁধের কাছে নিয়ে এলো আর কাঁধে সাবান লাগাতে লাগলো, তারপরে গলায় সাবান মালিশ করতে লাগলো. এবারে হাতটা নিয়ে এলো মায়ের বুকের ঠিকই ওপরে আর সেখানে সাবান ঘষতে লাগলো.
মা এবারে কমলা মাসিকে বললো : থাক কমলা আর করতে হবেনা. এবারে আমি করে নিচ্ছি.
কিন্তু কমলা মাসি থামলোনা বরং দুই হাতে সাবান মায়ের গায়ে সাবান মাখাতে মাখাতে বললো : আরে বৌদি আমি করে দিচ্ছি তো. এই বলে মায়ের গায়ে সাবান ডলতে লাগলো. মা আর বাঁধা দিলোনা. কমলা মাসি একহাতে বুকের ওপরে আর অন্য হাতে মায়ের কাঁধে সাবান ডলতে লাগলো. আমি মাকে দেখলাম মা ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছে, নিজের পা দুটো একে ওপরের সাথে ঘসছে, চোখ বুজে সাবানের মালিশ খেতে খেতে আরামে হঠাৎ উফফফফ করে উঠলো. তারপরে হেসে উঠলো. কমলা মাসি মায়ের কানের কাছে মুখ এনে বললো : ভালো লাগছে তো বৌদি?
মা কিছু বল্লোনা. শুধু চোখ বুজে হুমম করে আওয়াজ করলো.
আমি দেখলাম এবারে মাসি মায়ের চোখ বোজা মুখটা দেখে জিভ বার করে নিজের ঠোঁটে ঘষলো তারপরে নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরলো. তারপরে মায়ের বুকের ওপরে হাত ঘষতে ঘষতে সেই সাবান মাখা হাতটা তোয়ালের ভিতর একটু একটু করে ঢোকাতে লাগলো. তবে এবারে মা উঠেছে দাঁড়ালো আর অপ্রস্তুত ভাবে বললো : থা….. থাক কমলা. এ….. এবারে আমি করে নিচ্ছি. এইবলে মা বালতির কাছে এগিয়ে গেলো. মাসিও হেসে উঠে দাঁড়িয়ে মায়ের পাশে এগিয়ে গেলো আর কলের নীচে বসে জল চালিয়ে স্নান করতে লাগলো.
আমি আবার বেরিয়ে রোদ মাখতে লাগলাম. আমার কাছে এই দৃশ্যগুলি কোনোটাই অদ্ভুত লাগলোনা কারণ এগুলো বোঝার সময় তখনো হয়নি যে. কিন্তু আমি জানতাম না পরের দিন আমি এই সময়েই এমন একটা দৃশ্য দেখতে চলেছি যেটা ওই বয়সেও আমার অদ্ভুত লেগেছিলো.
সেদিন বিকেলে আমি আর দাদু ঘুম থেকে উঠলাম তখন ৫ টা বাজে. আমি উঠে বাথরুমে গেলাম. কিন্তু আসার সময় দেখি মায়ের ঘরের দরজা বন্ধ. তাহলে মা এখনও ঘুমোচ্ছে. কি মনে করে আমি মায়ের জানলার কাছে গেলাম মাকে দেখতে. আমি দেখলাম মা কোলবালিশ টা জড়িয়ে আঁকড়ে ধরে শুয়ে আছে. একটা পা কোলবালিশের ওপর তোলা আর সেই পা টা ম্যাক্সির থেকে থাই পর্যন্ত বেরিয়ে আছে. হঠাৎ আমার পেছনে কে হাত রাখলো. আমি ফিরে দেখি দাদু. তারপরে দাদু জানলার দিকে তাকালো আর তাকাতেই দাদুর চোখ মুখের হবে ভাব কেমন পাল্টে গেলো. আমি দাদুর দৃষ্টিতে উদ্দেশ্য করে সামনে তাকালাম আর দেখলাম দাদু আমার ঘুমন্ত মায়ের দিকে চেয়ে আছে. কেন চেয়ে আছে বুঝলাম না. এবারে মাকে দেখলাম বালিশের ওপর পাটা আরও তুলে দিলো আর বালিশে ঘষা খেয়ে ম্যাক্সিটা পায়ের আরও ওপরে উঠে গেলো. এখন মায়ের ফর্সা পায়ের প্রায় পুরোটাই দেখা যাচ্ছে. দাদু আমার কাঁধ চেপে ধরে উফফফফ করে একটা আওয়াজ করলো. আমি দেখলাম দাদু আবার নিজের ঠোঁটে জিভ ঘষলো তারপরে আমার দিকে তাকিয়ে বললো : দাদুভাই চলো. তোমার মাকে ঘুমোতে দাও. দেখছোনা তোমার রূপসী সুন্দরী মা কেমন করে ঘুমোচ্ছে. উফফফফফ…. তোমার মাকে দেখে আমার…………
এই বলে দাদু থেকে গেলো. তারপরে আমাকে নিয়ে ঘরে চলে এলো. একটু পরে আমাকে বসতে বলে একতলায় চলে গেলো দাদু আর সামান্য পরেই ফিরে এলো. এর ১০ মিনিট পরে মা উঠলো. দরজা খোলার শব্দ পেলাম. তারপর মাকে শুনলাম বাবার সাথে ফোনে কথা বলতে -পৌঁছে গেছো? ঠিক আছো…. এরকম কথাবার্তা আরকি. একটু পরে কমলা মাসি উপরে এলো চা নিয়ে. দাদুকে চা দিয়ে সে গেলো মায়ের ঘরে. তারপর সে চলে গেলো. একটু পরে আমি টিভি দেখতে লাগলাম আর দাদু কোথায় একটা বেরোলো. মনে হয় আড্ডা দিতে. ঘরে আমি আর মা. মা সোফায় বসে একটা ম্যাগাজিন পড়ছে. একটু পরে আমার নজর মায়ের ওপর পরলো. আমি দেখলাম মা আবার জোরে জোরে নিঃস্বাস নিচ্ছে আর ঘাড়ে গলায় হাত বোলাচ্ছে. নিজের পায়ের সাথে পা ঘসছে. ম্যাগাজিনের যে পৃষ্ঠাটা খোলা তাতে দেখতে পেলাম একটা অদ্ভুত ছবি. একটা মহিলা লাল রঙের ব্রা পড়ে দাঁড়িয়ে আছে আর একটা লোক ওই মহিলার নাভিতে চুমু দিচ্ছে আর নিচে লেখা পাগল হয়ে যাবেন আনন্দে. তখন বুঝিনি ওটা ছিল কন্ডোমের এড. তবে মা বার বার ওই ছবিটা দেখছে আর লোকটার আর মেয়েটার ওপর হাত বোলাচ্ছে. একটু পড়ে কমলা মাসি এলো. আমার জন্য লুচি তরকারি এনে আমার সামনে টেবিলে রাখলো তারপরে মায়ের সামনে গেলো. মা কমলা মাসির হাতে নিজের কাপটা তুলে দিলো. কমলা মাসিকে দেখলাম কাপটা নেবার সময় মাথা উঁচু করে মায়ের ওই ম্যাক্সির ফাঁক দিয়ে বুকের দিকে তাকালো তারপরে মায়ের হাত থেকে কাপ নেবার সময় মায়ের হাতে হাত রেখে চায়ের কাপটা নিলো. তারপরে মায়ের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিয়ে দাদুর ঘর থেকে কাপ নিয়ে নীচে নেমে গেলো. আমি মাকে দেখলাম মা কমলা মাসির সিঁড়ি দিয়ে নেমে যাওয়া দেখছে.
এরপরে রাত নামলো. গ্রামে তাড়াতাড়ি খাওয়া হয়ে যায়. তাই আমরাও তাড়াতাড়ি খেয়ে নিলাম কমলা মাসি খাবার নিয়ে এসেছিলো. কিন্তু দাদুর খাবারটা মা নিজেই বেড়ে দিলো. কমলা মাসি যাবার আগে দেখলাম দাদু আর মাসির চোখে চাওয়া চাই করলো. এরপরে খাবার খেয়ে কিছুক্ষনের হাটাহাটি করার পর আমরা যে যার ঘরে শুতে চলে গেলাম. আমি জানিনা কি হয়েছে কিন্তু মাঝে রাতে আমার প্রায়ই ঘুম ভেঙে যাচ্ছে. এটা আগেও হয়েছে. নতুন কোথাও এলে আমার সহজে ঘুম আসেনা বা আসলেও ভেঙে যায়. এবারেও তাই হলো. রাতে ঘুম ভেঙে গেলো আর জানলা দিয়ে আসা আলোতে দেখি আমি ঘরে একা. দাদু নেই. আমি উঠে বসলাম. কিছুক্ষন অপেক্ষা করলাম তারপরে নেমে বাইরে এলাম. আমি এদিক ওদিক যেতে যেতে দেখি বাথরুমের ভেতর থেকে কেমন একটা আওয়াজ আসছে. আমি ওই দিকে এগিয়ে গেলাম. দেখি ভেতরে কেউ রয়েছে. কারণ আলো জ্বলছে তবে একি? দাদু বাইরে দাঁড়িয়ে কি করছে? আর ভেতরে কিসের আওয়াজ? ভেতরে যে রয়েছে সে আমার মা সেটা বুঝতেই পারছি কিন্তু মা এমন করে আওয়াজ করছে কেন? আমার কেমন যেন লাগলো. কারণ বাথরুমের ভেতর থেকে মায়ের আহহহহহ্হঃ…. সসসসসস উফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ….. উম্মমমমমম আহ্হ্হঃ এসব শব্দ আর চুড়ির শব্দ. খুব জোরে ছুরি পড়া হাত নাড়লে এমন চুড়ির শব্দ হয়. কিন্তু দাদুকে দেখলাম আবার লুঙ্গির ভেতর হাত ঢুকিয়ে কি একটা বার করে হাতে নিয়ে নাড়ছে. ওদিকে মা তখনো আহহহহহ্হঃ উফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ করে চলেছে. ওদিকে দাদু দরজাতে ওই লম্বা জিনিসটা ঘষে চলেছে. কি ওটা ওতো লম্বা? বুঝলাম না কিন্তু একটু পরেই মা তীব্র গলায় আহহহহহ্হহহহ্হঃ করে উঠলো তারপরে সব শান্ত. তারপরে কোল চালানোর শব্দ. দাদু দেখলাম এবারে ফিরে আসছে. আমিও চুপি চুপি এসে শুয়ে পড়লাম. কেন জানিনা ওই বয়সেও ব্যাপারটা কেমন ভালো লাগছিলোনা. কিন্তু জানতাম না পরের দিন থেকে আমি এমন কিছু দেখতে চলেছিলাম যা তখন অদ্ভুত লাগলেও আজ বুঝেছি কি ভয়ঙ্কর ছিল.

গল্পটি কেমন লাগলো ?

ভোট দিতে স্টার এর ওপর ক্লিক করুন!

সার্বিক ফলাফল 0 / 5. মোট ভোটঃ 0

এখন পর্যন্ত কোন ভোট নেই! আপনি এই পোস্টটির প্রথম ভোটার হন।

Leave a Comment